জামায়াতে ইসলামীকে মানবতা ও মনুষ্যত্বের শত্রু বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, যেখানে তাদের পাওয়া যাবে, সেখানেই রুখে দাঁড়াতে হবে।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বিএনপি-জামাতের তান্ডব রক্তাক্ত বাংলাদেশ’ ডিভিডির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আশরাফ এ মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপপরিষদ এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ডিভিডিতে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের শরিক দলগুলোর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ, ককটেল ফাটিয়ে গাড়িতে আগুন দেওয়া, পুলিশকে হত্যা, গাছ নিধন, ফটিকছড়ির ভুজপুরে আওয়ামী লীগের মিছিলে হামলা, যশোরের অভয়নগরের মালোপাড়ায় হামলার চিত্র তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ডিভিডিতে সহিংসতায় আহত কয়েকজন ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য সন্নিবেশ করা হয়েছে। ভিডিওচিত্র চলার সময় উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা অশ্রুসজল হয়ে যান। অনেকে উচ্চ স্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘বর্তমানে সারা বিশ্বে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেই যুদ্ধ অবশ্যই আমাদের ওপর এসে পড়তে পারে। বাংলাদেশের জামায়াত অন্য দেশে আইএস, আল-কায়েদা ও তালেবান—কত বিচিত্র নাম! এরা মানবতার শত্রু, মনুষ্যত্বের শত্রু। যেখানে সুযোগ পাওয়া যাবে, সেখানেই তাদের রুখে দাঁড়াব। এই প্রতিরোধই—এই মুক্তিযুদ্ধ আপানাদের দেখার সুযোগ হয়নি। যে ভয়বাহ অবস্থা এই মুক্তিযুদ্ধের সময় এই তাণ্ডব চালিয়েছিল এই দস্যুরা। সেটার একটা কপি ছিল ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগের ঘটনাগুলো।’
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বিএনপি-জামাতের তান্ডব রক্তাক্ত বাংলাদেশ’ ডিভিডির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আশরাফ এ মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপপরিষদ এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ডিভিডিতে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের শরিক দলগুলোর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ, ককটেল ফাটিয়ে গাড়িতে আগুন দেওয়া, পুলিশকে হত্যা, গাছ নিধন, ফটিকছড়ির ভুজপুরে আওয়ামী লীগের মিছিলে হামলা, যশোরের অভয়নগরের মালোপাড়ায় হামলার চিত্র তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া ডিভিডিতে সহিংসতায় আহত কয়েকজন ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য সন্নিবেশ করা হয়েছে। ভিডিওচিত্র চলার সময় উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা অশ্রুসজল হয়ে যান। অনেকে উচ্চ স্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘বর্তমানে সারা বিশ্বে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেই যুদ্ধ অবশ্যই আমাদের ওপর এসে পড়তে পারে। বাংলাদেশের জামায়াত অন্য দেশে আইএস, আল-কায়েদা ও তালেবান—কত বিচিত্র নাম! এরা মানবতার শত্রু, মনুষ্যত্বের শত্রু। যেখানে সুযোগ পাওয়া যাবে, সেখানেই তাদের রুখে দাঁড়াব। এই প্রতিরোধই—এই মুক্তিযুদ্ধ আপানাদের দেখার সুযোগ হয়নি। যে ভয়বাহ অবস্থা এই মুক্তিযুদ্ধের সময় এই তাণ্ডব চালিয়েছিল এই দস্যুরা। সেটার একটা কপি ছিল ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগের ঘটনাগুলো।’
গত কয়েক দিন আগে আশরাফ তাঁর লন্ডনে অবস্থানের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বাংলাদেশে অপরাজনীতি করেছে এই জামায়াত। সারা বিশ্বে এখন এই জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এটা আমাদের দেশে আসতে বেশি সময় লাগবে না।’
আশরাফ বলেন, ‘এখানে কেউ নিরপেক্ষ থাকতে পারে না। মানবতার বিরুদ্ধে কেউ কিন্তু নিরপেক্ষ থাকতে পারবে না। আজকে সাংবাদিকের কথাই বলেন, বুদ্ধিজীবীদের কথা বলেন ও বিভিন্ন পেশার মানুষেরা যদি বলেন আমি নিরপেক্ষ। আসলে কিন্তু উনি নিরপেক্ষ না। উনি স্বীকার করতে চান না, সত্য লুকাত চান। আসল পরিচয় গোপন রাখার জন্য বলেন, আমি নিরপেক্ষ। কই মুক্তিযুদ্ধের সময় তো কেউ নিরপেক্ষ ছিল না। বর্তমানে মানবতাবিরোধী যুদ্ধের সময়ও কেউ নিরপেক্ষ থাকতে পারে না।’
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি তুরিন আফরোজ বলেন, ‘আজ প্রতিমুহূর্তে আমাদের প্রমাণ করতে হয়—’৭১ যে ৭১ ছিল। বাংলাদেশই বিশ্বের একমাত্র সহনশীল দেশ, যে দেশে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরাও রাজনীতি করছে।’
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘রাজনীতির যুদ্ধ এখন মাঠে নাই, এখন তথ্যের যুদ্ধ শুরু হয়েছে। একজন তথ্যসমৃদ্ধ নেতাই সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। তথ্য দিয়েই জামায়াত-বিএনপির প্রতিবাদ করতে হবে।’
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, মুক্তিযোদ্ধা রোকেয়া কবির প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই: